NGO Loan BD — NGO Loan Information Blog
এনজিও লোন
এনজিও লোন
ব্যাংক লোন
NGO Loan BD এর সাথে কোনো ব্যাংক/এনজিও/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সম্পর্ক নেই।
আমরা কোনো প্রকাশ আর্থিক ঋণ প্রদান করিনা।
সর্বশেষ পোস্টসমূহ
NGO Loan BD ওয়েবসাইটে বাংলাদেশের বিভিন্ন এনজিও থেকে লোন আবেদন করার মাধ্যমে প্রয়োজনের সময় লোন নেয়ার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করা হয়। যেকোনো এনজিও থেকে লোন নিতে চাইলে কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন হয় এবং লোন আবেদন করার পদ্ধতি জানতে পারবেন এখানে।
বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে বিভিন্ন এনজিও রয়েছে যারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শহরাঞ্চলের মানুষের আর্থিক প্রয়োজন মেটাতে ক্ষুদ্র ঋণ দিয়ে আসছে। গ্রামীণ ব্যাংক, আশা এনজিও, প্রশিকা এনজিও, সেতু এনজিও, রিক এনজিও সহ আরও অনেক এনজিও রয়েছে বাংলাদেশে।
এসব এনজিও থেকে লোন নিতে চাইলে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে এসব তথ্য নিয়ে আমরা ব্লগ পোস্ট আকারে তথ্য প্রকাশ করে থাকি। বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং এনজিও থেকে দেয়া তথ্য থেকে আমরা লোন আবেদন করার পদ্ধতি সম্পর্কিত ব্লগ পোস্টগুলো লিখে থাকি।
আপনার যদি অর্থের প্রয়োজন হয় এবং জামানত ছাড়া লোন নিতে চান, তাহলে এনজিও হচ্ছে সেরা অপশন। লোন নিতে চাইলে লোন আবেদন করতে হবে। লোন আবেদন করার সময় বেশ কিছু ধাপ অনুসরণ করতে হয়। যে এনজিও থেকে লোণ নিতে চান, সেটির নাম লিখে আমাদের ওয়েবসাইটে সার্চ করলে লোন আবেদন করার পদ্ধতি জানতে পারবেন।
এনজিও লোন
ব্যবসার জন্য বা হঠাৎ কোনো জরুরি প্রয়োজনে টাকার দরকার হলে, এনজিও লোন হতে পারে আপনার জন্য সবচেয়ে সহজ একটি সমাধান। বাংলাদেশে অসংখ্য বেসরকারি এনজিও আছে, যারা গ্রামের এবং শহরের সাধারণ মানুষকে দ্রুত লোন দিয়ে থাকে।
ব্যাংক লোনের মতো এনজিও লোনের জন্য সাধারণত কোনো দামি জিনিস বা জমিজমা জামানত হিসেবে রাখতে হয় না। এটাই এর সবচেয়ে বড় সুবিধা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই গ্যারান্টি ছাড়াই লোন পাওয়া যায়।
লোন পাওয়ার প্রক্রিয়াটিও খুব সহজ। আপনাকে প্রথমে তাদের সদস্য হতে হবে এবং একটি সঞ্চয়ী হিসাব খুলতে হবে। এরপর একটি সহজ আবেদন ফর্ম পূরণ করলেই আবেদন করা হয়ে যায়। সবকিছু ঠিক থাকলে, আবেদন করার এক সপ্তাহের মধ্যেই টাকা হাতে পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
এই সহজ প্রক্রিয়ার কারণেই আজ লক্ষ লক্ষ মানুষ তাদের জরুরি প্রয়োজনে এনজিও লোনের ওপর ভরসা করেন। এনজিও লোন সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
ব্যাংক লোন
আপনার কি কখনো ব্যবসা শুরু করতে, বাড়ি বানাতে বা অন্য কোনো বড় কাজে একসাথে অনেক টাকার প্রয়োজন হয়েছে?
যখন টাকার অংকটা অনেক বড় হয়, তখন ছোটখাটো সংস্থা বা এনজিওর বদলে ব্যাংকই হলো আসল ভরসা। এনজিওগুলো যেখানে ৫০ হাজার বা ১ লাখ টাকা পর্যন্ত লোন দেয়, ব্যাংক থেকে সেখানে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী অনেক বেশি টাকা লোন নেওয়া সম্ভব।
তবে, ব্যাংক থেকে বড় অংকের লোন নেওয়ার প্রধান শর্ত হলো ‘জামানত’ বা ‘গ্যারান্টি’। সোজা কথায়, ব্যাংক আপনার কাছে এমন একটি নিশ্চয়তা চায়, যার ওপর ভরসা করে তারা আপনাকে লোন দেবে। এটি হতে পারে আপনার কোনো মূল্যবান সম্পদ, যেমন – জমির দলিল, বাড়ির কাগজপত্র অথবা ব্যাংকে জমানো ফিক্সড ডিপোজিট।
বাংলাদেশে প্রতিটি সরকারি ও বেসরকারি ব্যাংকের লোন দেওয়ার নিয়ম আলাদা। তাদের সুদের হার, কী কী কাগজপত্র প্রয়োজন হয়, এবং কীভাবে আবেদন করতে হয়—সেসব বিষয়ে ভিন্নতা আছে।
আমাদের এই ওয়েবসাইটে, আমরা ব্যাংকের লোন পাওয়ার এই পুরো প্রক্রিয়াটি সহজভাবে তুলে ধরেছি। বিভিন্ন ব্যাংকের লোন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে নিচের বাটনে ক্লিক করুন।
এনজিও লোন সম্পর্কিত প্রশ্নোত্তর
এনজিও লোন কি?
এনজিও লোন হলো এক ধরণের ঋণ, যা বিভিন্ন সংস্থা (NGO) সাধারণ মানুষ বা ছোট ব্যবসায়ীদেরকে তাদের ব্যবসা বা জরুরি প্রয়োজনে সাহায্য করার জন্য দিয়ে থাকে। একে “ক্ষুদ্রঋণ” বা “মাইক্রোক্রেডিট”-ও বলা হয়।
কারা এনজিও লোন নিতে পারে?
সাধারণত ১৮ বছরের বেশি বয়সী যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক, যার একটি নির্দিষ্ট আয়ের উৎস (যেমন ছোট ব্যবসা, দোকান, কৃষি কাজ) আছে, তিনি লোনের জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদনকারীকে অবশ্যই ওই এনজিও-র কর্ম এলাকার বাসিন্দা হতে হবে।
এনজিও লোন নিতে কি কি লাগে?
সাধারণত জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) কার্ডের ফটোকপি, পাসপোর্ট সাইজের ছবি এবং একজন জামিনদার (গ্যারান্টার) লাগে। কিছু কিছু এনজিও আপনার ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে বিদ্যুৎ বা পানির বিলের কপিও চাইতে পারে।
এনজিও লোনের সুদের হার কত?
এনজিও লোনের সুদের হার বিভিন্ন সংস্থায় বিভিন্ন রকম হয়। তবে বাংলাদেশে ক্ষুদ্রঋণ সংস্থার সুদের হার সাধারণত বার্ষিক ২০% থেকে ২৭% এর মধ্যে (সরল হারে) হয়ে থাকে। এর সাথে কিছু সার্ভিস চার্জও যুক্ত থাকতে পারে।
লোন নিতে কি কোনো জামানত লাগে?
বেশিরভাগ এনজিও লোন বা ক্ষুদ্রঋণের জন্য কোনো বড় জামানত (যেমন জমি বা বাড়ির দলিল) জমা রাখতে হয় না। তবে, আপনাকে একজন বা দুজন পরিচিত ব্যক্তিকে ‘জামিনদার’ বা ‘গ্যারান্টার’ হিসেবে দেখাতে হবে।
এনজিও থেকে সর্বোচ্চ কত টাকা লোন পাওয়া যায়?
আপনি প্রথমবার লোন নিলে সাধারণত কম টাকা (যেমন ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০) পাবেন। আপনি যদি সময়মতো কিস্তি শোধ করেন, তবে পরের বার আরও বেশি টাকা লোন নিতে পারবেন। কিছু এনজিও ব্যবসার জন্য (SME লোন) ৫ লক্ষ বা তার বেশি টাকাও লোন দেয়।
এনজিও লোন পেতে কতদিন সময় লাগে?
সব কাগজপত্র ঠিকঠাক জমা দেওয়ার পর, এনজিও-র কর্মীরা আপনার এলাকা ও ব্যবসা পরিদর্শন করেন। সবকিছু ঠিক থাকলে সাধারণত ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যেই লোন অনুমোদন হয়ে যায় এবং আপনি টাকা পেয়ে যান।
লোন পরিশোধের নিয়ম কি?
এনজিও লোন সাধারণত সাপ্তাহিক কিস্তিতে (প্রতি সপ্তাহে) অথবা মাসিক কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়। লোন নেওয়ার সময়ই আপনাকে কিস্তির পরিমাণ এবং কবে কবে কিস্তি দিতে হবে, তা নির্দিষ্ট করে দেওয়া হবে।
লোনের কিস্তি দিতে না পারলে কি হয়?
আপনি সময়মতো কিস্তি দিতে না পারলে, প্রথমে এনজিও কর্মীরা আপনার সাথে ও আপনার জামিনদারের সাথে যোগাযোগ করবেন। বারবার কিস্তি দিতে ব্যর্থ হলে বা লোন শোধ না করলে, এনজিও আপনার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে পারে।
বাংলাদেশে কোন কোন এনজিও লোন দেয়?
বাংলাদেশে অনেকগুলো বড় এনজিও লোন দেয়। এর মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত হলো গ্রামীণ ব্যাংক, ব্র্যাক, আশা, প্রশিকা এবং টিএমএসএস (TMSS)। এছাড়া আপনার নিজের এলাকাতেও আরও অনেক ছোট-বড় সংস্থা থাকতে পারে।











